দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে নতুন কোনো মামলায় গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট করেন আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চে এর ওপরে শুনানি হবে।
এফআইআরে নাম না থাকা সত্ত্বেও বিচারপতি খায়রুল হককে একের পর এক মামলায় গ্রেফতার দেখানো কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, রিটে এই মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুলে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় অন্য কোনো মামলায় গ্রেফতার না দেখানোর নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় দুটি হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১২ মে বিচারপতি খায়রুল হক হাইকোর্টে জামিন পান।
আদেশের পরে তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, সব মামলায় জামিন হওয়ায় আপাতত খায়রুল হকের কারামুক্তিতে আইনি বাধা নেই। তবে এরই মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে বুধবার আপিল বিভাগে আবেদন করেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা পাঁচ মামলায় ২৮ এপ্রিল বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল রাখে আপিল বিভাগ।
এর আগে ৮ মার্চ হাইকোর্ট জামিনের বিষয়ে রুল মঞ্জুর করে চার মামলায় খায়রুল হককে জামিন দেয়। পরে ১১ মার্চ দুদকের মামলায়ও তিনি জামিন পান। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। তবে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে। এরপর যাত্রাবাড়ী থানায় আরিফ ও আদাবর থানায় করা রুবেল হত্যা মামলায় খায়রুল হককে গ্রেফতার দেখানো হয়। এসব মামলায় তিনি নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হওয়ায় হাইকোর্টে আবেদন করেন। সেই দুই মামলায় ১২ মে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান।
তার বিরুদ্ধে মোট সাতটি মামলা রয়েছে। গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হক গ্রেফতার হন। পরে তাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
কে